
আগামী শনিবার (১৫ মার্চ) সারা দেশে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সেদিন প্রায় দুই কোটি ২৬ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দেশের সব শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ১৫ মার্চ ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’
যাদের ঘরে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আছে, সেসব মা–বাবা ও অভিভাবকদের তাদের শিশুদের কাছের ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বল হয়, ‘ভিটামিন এ শুধু অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে না, পাশাপাশি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর হারও প্রায় এক–চতুর্থাংশ কমিয়ে আনে। সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়েছে।’
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। বর্তমানে ভিটামিন এ–এর অভাবে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। ইতিমধ্যে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে দুবার ৯৮ শতাংশ শিশুদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হয়।
