
ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস আজ। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ডায়াবেটিক সমিতির ৬৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ঝুঁকি জানুন, সনাক্ত করুন, পদক্ষেপ নিন।
শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি)দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশে ডায়াবেটিক সমিতির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত অধিভুক্ত সমিতিগুলো দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে সমিতির অন্যান্য অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত অধিভুক্ত সমিতিগুলো দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। সমিতির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকাল ৮.৩০ মিনিটে শাহবাগে বারডেম হাসপাতালের নিচে সচেতনতামূলক স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন, বেলা ৯.৩০ মিনিটে বারডেম অডিটোরিয়ামে (তিনতলা) রয়েছে আলোচনা সভা।
এছাড়া সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বারডেম ক্যাম্পাস এবং এনএইচএন ও বিআইএইচএসের বিভিন্ন কেন্দ্রসংলগ্ন স্থানে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস নির্ণয় করা হবে। হ্রাসকৃত মূল্যে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের (চারতলা) হার্ট ক্যাম্পে সাশ্রয়ীমূল্যে হৃদরোগীদের সেবা দেওয়া হবে।

দেশে মোট ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর প্রায় অর্ধেকই নারী এর মধ্যে প্রতি ১০০ জনে ২৬ জন নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন
আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর প্রায় অর্ধেকই নারী। এর মধ্যে প্রতি ১০০ জনে ২৬ জন নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, যাঁদের ৬৫ শতাংশ পরবর্তী সময়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের ও গর্ভস্থ শিশুদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ড. এ কে আজাদ খান বলেন, ‘ডায়াবেটিস প্রধানত টাইপ-১ ও টাইপ-২ এই দুইভাবে আমরা ভাগ করি। আমাদের দেশে ৯৫ শতাংশ রোগী টাইপ-২ ধরনের। টাইপ-১ হচ্ছে যাদের শরীরে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাদের ইনসুলিন বা পুরোপুরি ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয়। সে জন্য সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তবে টাইপ-২ ধরনের ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা অবলম্বন করলে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস ঠেকিয়ে রাখা বা বিলম্বিত করা সম্ভব।’
